ইসলামের পরিচিতি مقدمة حول الإسلام

2.95 MB 63 1 Files
albyan
or download free
[free_download_btn]

Description

ইসলামের উপকারিতা

বাস্তবধর্মী ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনধারা

আল্লাহর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ও সরাসরি সম্পর্ক

আল্লাহ সম্পর্কে বিশুদ্ধ ও স্পষ্ট ধারণা

সার্বজনীন ও কালজয়ী বার্তা

প্রাথমিক বিষয়গুলি জানুন

ইসলাম কী?

ইসলাম হল একমাত্র সত্য ঈশ্বরে ("আল্লাহ" আরবিতে) বিশ্বাস করা এবং তাঁকে উপাসনা করা, এবং হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে তাঁর চূড়ান্ত রাসূল হিসেবে গ্রহণ করা।

(বিশ্বজনসংখ্যার) প্রায় প্রতি চারজনের মধ্যে একজন (২৩%) মুসলিম - মোট ১.৫ বিলিয়নেরও বেশি মুসলিম।

ইসলামের অনুসারীরা মুসলিম নামে পরিচিত যারা যেকোনো জাতিগত বা নৃতাত্ত্বিক পটভূমি থেকে হতে পারেন।

বিশ্বাস ও মনোভাব

আল্লাহ তাঁর নিদর্শনগুলির মাধ্যমে তাঁকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আমাদের আহ্বান করেন। তাঁকে চেনা আমাদের দায়িত্ব এবং এটি জীবনের পরীক্ষার অংশ। সঠিক মনোভাব ছাড়া, কোনো পরিমাণ তথ্যই কাউকে বিশ্বাস করাতে পারে না।

বস্তুনিষ্ঠতা ও খোলা মন

নম্রতা ও আন্তরিকতা

আমাদের উদ্দেশ্য নিয়ে চিন্তাভাবনা

আল্লাহর নিদর্শনসমূহ গ্রহণে মনোযোগী

বিশ্বাস না করার অগ্রাধিকার

গর্ব ও ঔদ্ধত্য

শুধু বস্তুজগতের উপর ফোকাস করা

সবকিছুকে অর্থহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া

প্রথম কারণ: মহাবিশ্বের উৎপত্তি

আল্লাহতে বিশ্বাসের প্রথম কারণ হল মহাবিশ্বের উৎপত্তি নিয়ে চিন্তা করা।

মহাবিশ্ব কীভাবে অস্তিত্ব লাভ করল?

এটি কি শূন্যতা থেকে এসেছে? শূন্যতা থেকে তো কোন কিছু হয় না। তাই, স্পষ্টতই এটি শূন্যতা থেকে আসে নি।

এটি কি নিজেকে সৃষ্টি করেছে? না, এটি অযৌক্তিক। এটি বলার মতো যে, মা নিজেকে জন্ম দিয়েছেন।

এটি কি চিরকাল ছিল? না, আধুনিক বিজ্ঞান এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, মহাবিশ্ব অনন্ত নয় এবং এর একটি শুরু ছিল।

এটি কি সৃষ্টি করা হয়েছিল? হ্যাঁ। মুসলিমরা বিশ্বাস করে যে মহাবিশ্বের বাইরে কিছু এটি সৃষ্টি করেছে – তথা সৃষ্টিকর্তা।

প্রশ্ন: কিন্তু আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছেন?

উত্তর: আল্লাহ সৃষ্ট নন। মহাবিশ্ব এবং বাকি সৃষ্টির বিপরীতে, আল্লাহ অনন্ত, চিরকালীন এবং তাঁর কোনো শুরু নেই।

দ্বিতীয় কারণ:

মহাবিশ্বের শৃঙ্খলা

আল্লাহতে বিশ্বাস করার আরেকটি সহজ কারণ হল নিম্নলিখিত যুক্তি ব্যবহার করে মহাবিশ্বের শৃঙ্খলা নিয়ে চিন্তা করা:

১. যেকোনো কিছু যা সুশৃঙ্খল তা বুদ্ধিমত্তা নির্দেশ করে

২. আমাদের সৌরজগৎ জটিল পদ্ধতি, আইন এবং প্যাটার্ন দিয়ে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল

৩. আমাদের মহাবিশ্বের শৃঙ্খলা সৃষ্টিকর্তার বুদ্ধিমত্তার প্রমাণ দেয়!

মহাবিশ্বের অনেক বৈশিষ্ট্য স্পষ্টভাবে দেখায় যে এটি জীবনের সহায়তার জন্য বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছে। এই পরিমাপগুলি যদি বর্তমানে যা আছে তার থেকে সামান্য ভিন্ন হত, তবে জীবন থাকতে পারত না। উদাহরণ স্বরুপ-

ওজোন স্তর

পৃথিবীর ভূত্বকের পুরুত্ব

বায়ুতে অক্সিজেন শতাংশ

সূর্য থেকে দূরত্ব

সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদের আপেক্ষিক আকার

একটি বৃহৎ জটিল মহাবিশ্ব কি কাকতালীয়ভাবে, তত্ত্বাবধান ছাড়াই তৈরি হতে পারে? উল্লেখযোগ্য যে, ইসলাম বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং চিন্তাধারাকে উৎসাহিত করে। বিজ্ঞানের ভূমিকা আমাদের আল্লাহর সৃষ্টিতে দেওয়া বিভিন্ন পর্যবেক্ষণমূলক নিদর্শনগুলো বর্ণনা করতে সহায়তা করে। এবং তাঁর ক্ষমতা ও প্রজ্ঞার গভীরতা উপলব্ধি করত।

তৃতীয় কারণ:

ওহী – কুরআন

কুরআন আল্লাহর অস্তিত্বের জন্য একটি শক্তিশালী যুক্তি প্রদান করে এবং এটি শৈলী, প্রজ্ঞা, দিকনির্দেশনা এবং বাকপটুতায় অতুলনীয়।

এতে কোনো ত্রুটি বা বিরোধ নেই।

এতে রয়েছে আল্লাহর পবিত্র ও পরিষ্কার বর্ণনা।

এটি আরবি ভাষার সৌন্দর্যের শীর্ষ।

এটি নবী মুহাম্মদের মাধ্যমে অবতীর্ণ হয়েছে যিনি অশিক্ষিত ছিলেন।

যা ১৪০০ বছর ধরে সংরক্ষিত এবং অপরিবর্তিত।

মানব আচরণের গভীর অন্তর্দৃষ্টি।

এটি লক্ষ লক্ষ মানুষের দ্বারা মুখস্থ।

এতে সেই সময়ের অজানা বৈজ্ঞানিক তথ্য অন্তর্ভুক্ত।

পৃথিবীতে নিশ্চিত বিশ্বাসীদের জন্য নিদর্শন রয়েছে; এবং তোমাদের মধ্যেও, তোমরা কি দেখতে পাও না? (কুরআন ৫১:২০-২১)

আল্লাহ কে?

ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হল, এটি আল্লাহর সম্পূর্ণ পূর্ণতা, মহিমা এবং অনন্যতাকে সম্পূর্ণ স্বীকার করে।

· আল্লাহ একক এবং অনন্য, তাঁর কোন প্রতিদ্বন্দ্বী, অংশীদার বা সন্তান নেই।

· আল্লাহ একমাত্র ইবাদতের যোগ্য - সরাসরি এবং একান্তভাবে (কোনও মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই)।

· আল্লাহ পরিপূর্ণ এবং নির্ভুল - তাঁর কোন সীমাবদ্ধতা বা দুর্বলতা নেই।

· আল্লাহ পরম দয়ালু - তিনি জানেন যে আমরা অপূর্ণ এবং পাপ করি, তবে গুরুত্বপূর্ণ হল সর্বদা আমাদের ভুলগুলোকে স্বীকার করা এবং আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাওয়া।

· আল্লাহর কোন অংশ তাঁর সৃষ্টির মধ্যে নেই এবং কেউ তাঁর ঐশ্বরিক গুণাবলীতে অংশীদার নয়।

ইসলামে আল্লাহর ধারণাটি বোঝার চেষ্টা করার সময়, যীশুর মর্যাদা নিয়ে আলোচনা করা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাঁর প্রকৃতি সম্পর্কে ব্যাপক বিভ্রান্তি এবং দাবি রয়েছে। ইসলাম যীশুকে একজন সম্মানিত নবী এবং আল্লাহর রাসূল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, তবে মুসলমানরা তাঁর উপাসনা করে না - কারণ উপাসনা শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য, যিনি যীশু এবং বিদ্যমান সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং, যীশুকে ঈশ্বর বা ঈশ্বরের পুত্র বা ত্রিত্বের অংশ হিসাবে বিশ্বাস করা স্পষ্টতই ইসলামে আল্লাহর বিশুদ্ধ শিক্ষার পরিপন্থী।

খ্রিস্টান শিক্ষায় এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে যেখানে যীশু ঈশ্বরকে নিজ থেকে আলাদা সত্তা হিসাবে কথা বলেছেন এবং কাজ করেছেন, যেমন যীশু ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করা।

যদি যীশু ঈশ্বর হয়ে থাকেন, তবে তিনি কার কাছে প্রার্থনা করতেন?

যীশু জন্মগ্রহণ করেছিলেন, খাবার খেয়েছিলেন, ঘুমিয়েছিলেন এবং সীমিত জ্ঞান ছিল – এই গুণাবলীগুলো ঈশ্বরের জন্য সমীচীন নয় । ঈশ্বরের রয়েছে পরিপূর্ণতার গুণাবলী, মানুষ তার বিপরীত।

ঈশ্বর কীভাবে একই সাথে পরিপূর্ণ এবং অপূর্ণ হতে পারেন?

আমরা দেখতে পাই যে "ঈশ্বরের পুত্র" শব্দটি প্রাচীন বাইবেলের ভাষায় "ধার্মিক ব্যক্তি" জন্য রূপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল - কেবলমাত্র যীশুর জন্য নয়। ঈশ্বরের কোনও বাস্তুবিক বা আক্ষরিক পুত্র নেই।

"ঈশ্বরের পুত্র" শব্দটির প্রকৃত অর্থ কী?

প্রশ্ন: যদি আল্লাহ সবকিছু করতে পারেন, তাহলে তিনি মানুষ হতে পারেন না কেন? শারীরিক এবং বাস্তবিক পুত্র।

উত্তর: ঈশ্বর সর্বদা পরিপূর্ণতার গুণাবলী বজায় রাখেন এবং কিছুই করেন না যা এই পরিপূর্ণতাকে ক্ষুণ্ণ করে। সংজ্ঞা অনুসারে ঈশ্বর ঐশ্বরিক কর্ম ছাড়া অন্য কিছু করেন না। যদি ঈশ্বর মানুষ হয়ে যান এবং মানবিক গুণাবলী গ্রহণ করেন, তবে তিনি আর ঈশ্বর থাকবেন না।

অনেক নবী

নবী আদম

নবী নূহ

নবী ইব্রাহিম

নবী মূসা

নবী যীশু

নবী মুহাম্মদ

+ অন্যান্য নবীগণ

তাঁদের সকলের উপর শান্তি বর্ষিত হোক

একটি মিশন

• এক ঈশ্বরের ধারণাকে গুরুত্ব দেওয়া

• মিথ্যা দেবতা ও বিশ্বাস প্রত্যাখ্যান করা

• আল্লাহর ইবাদত কিভাবে করতে হয় তা ব্যাখ্যা করা

• তারা অনুসরণীয় হয়ে উঠুক

• আনুগত্যের জন্য পুরস্কার (স্বর্গ) বর্ণনা করা

• অবাধ্যতার জন্য শাস্তি (জাহান্নাম) সম্পর্কে সতর্ক করা

আল্লাহ যুগে যুগে প্রতিটি জাতির কাছে একই মৌলিক বার্তা সহ নবী পাঠিয়েছেন।

যদিও মুসলমানরা সমস্ত নবীকে ভালবাসে এবং সম্মান করে, কিন্তু তারা তাদের উপাসনা করে না বা তাদেরকে ঐশ্বরিক বলে মনে করে না, কারণ এটি একমাত্র আল্লাহর জন্য সংরক্ষিত।

জীবনের উদ্দেশ্য

আল্লাহ, পরম জ্ঞানী, আমাদেরকে কোনো উদ্দেশ্য ছাড়া বা শুধু আমাদের মৌলিক প্রবৃত্তি ও আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সৃষ্টি করেননি। বরং, আমাদের একটি উচ্চতর উদ্দেশ্য রয়েছে—আল্লাহকে চেনা ও তাঁর ইবাদত করা। যাতে আমরা আমাদের সৃষ্টিকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী জীবনযাপন করতে পারি।

এই নির্দেশনা আমাদের জীবনের সকল ক্ষেত্রে সন্তুষ্ট ও সফল জীবনযাপন করতে সক্ষম করে।

এটি আল্লাহর অসীম প্রজ্ঞার একটি অংশ যে, তিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং তাঁকে জানার, জীবনে আমাদের অভিজ্ঞতা গ্রহণের এবং আমাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন।

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ এবং বাস্তবমুখী জীবনধারা যা মুসলমানদেরকে সমাজের ভারসাম্যপূর্ণ, শালীন এবং অবদানকারী সদস্য হতে শিক্ষা দেয়।

ইসলামে ইবাদতের ধারণাটি কেবল আল্লাহর কাছে প্রার্থনা এবং দোয়া পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। এটি একটি বিস্তৃত সংজ্ঞা যা আল্লাহ পছন্দ করে এমন প্রত্যেক কাজকে অন্তর্ভুক্ত করে । নিচে এমন কিছু কাজের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে।

· বৈধ জীবিকা উপার্জন করা

· অত্যাচারের বিরোধিতা করা

· অনাথদের যত্ন নেওয়া

· পরিবেশের যত্ন নেওয়া

· ধৈর্য ও নম্রতা ধারণ করা

· সমাজ ও সম্প্রদায়ের উপকারে আসা

· পিতামাতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া

· ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানো

· প্রতিবেশীদের প্রতি সদয় হওয়া

· আল্লাহকে ভয় করা

· পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করা

· সত্য কথা বলা

ইবাদতের কাজের জন্য আল্লাহকে খুশি করার আন্তরিক উদ্দেশ্য প্রয়োজন এবং এটি ইসলামী নির্দেশনা অনুযায়ী সঠিকভাবে করা উচিত।

ইসলাম (নিম্নোক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে) কী বলে...

· নারী: ইসলামে নারীদের সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হয়। তাদের প্রতি ভালোবাসা, সম্মান এবং শ্রদ্ধার সঙ্গে আচরণ করা আবশ্যক। তারা পুরুষদের অংশীদার, এবং তাদের প্রতি কোনো ধরনের নির্যাতন কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়।

· সন্ত্রাসবাদ: ইসলাম সমাজের মঙ্গল রক্ষা করার জন্য, অন্যায়ের বিস্তার রোধ করার জন্য এবং ন্যায়বিচার প্রচারের জন্য যুদ্ধ করার অনুমতি দেয়। তবে, নিরপরাধ অযোদ্ধাদের লক্ষ্যবস্তু করা একটি ঘৃণ্য কাজ যা নিষিদ্ধ।

· হালাল খাদ্য: হালাল খাবার হল যেগুলি মুসলমানদের জন্য খাওয়া বৈধ। মাংস। বৈধ পশু ও হাস-মুরগীকে মানবিকভাবে জবাই করা আবশ্যক এবং কষ্টকে ন্যূনতম করা উচিত। আর জবাই করার সময় আল্লাহর নাম উল্লেখ করা কর্তব্য।

· বিবর্তন: আল্লাহ প্রথম মানব আদমকে তাঁর চূড়ান্ত রূপে সৃষ্টি করেছিলেন - উন্নত প্রজাতির বানর থেকে ধীরে ধীরে বিবর্তিত হওয়ার যে প্রচলিত ধারণা আছে তা ভিত্তিহীন। বিজ্ঞান এটিকে সরাসরি প্রমাণ বা অস্বীকার করতে পারে না কারণ, এটি একটি অনন্য ঐতিহাসিক এবং অলৌকিক ঘটনা ছিল। তবে মানুষের বাইরে অন্যান্য সৃষ্টিজীবের ক্ষেত্রে, ইসলামী সূত্রগুলি এই বিষয়ে নীরব। আমাদের কেবল এটি বিশ্বাস করতে হবে যে, আল্লাহ তাদের যেভাবে চান সেভাবে সৃষ্টি করেছেন, তা বিবর্তন ব্যবহার করেই হোক বা অন্যভাবে।

একজন মুসলিমের জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি

আমার একটি মহৎ উদ্দেশ্য রয়েছে

আল্লাহর রহমতের আশা এবং তাঁর শাস্তির ভয়ের মধ্যে ভারসাম্য

যদি ভালো কিছু ঘটে, কৃতজ্ঞ হন। যদি খারাপ কিছু ঘটে, ধৈর্য ধরুন।

আমি আল্লাহর উপর ভরসা রাখি – তাঁর অনুমতি ছাড়া কিছুই ঘটে না।

এই জীবন একটি পরীক্ষা এবং আল্লাহ আমি যা করি তা সবই দেখেন।

আমার যা কিছু আছে সবই আল্লাহর কাছ থেকে।

আমি যা আমার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তাতে মনোনিবেশ করি এবং আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি।

অমুসলিমদের সঠিক পথে পরিচালনার জন্য আন্তরিক আশা এবং উদ্বেগ।

আমি আল্লাহর কাছে ফিরে আসব এবং জবাবদিহি করব।

Similar Downloads

No related download found!